Previous
Next

সর্বশেষ

বানিয়াচংয়ে মসজিদের হিসাব নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৩; এলাকায় উত্তেজনা

বানিয়াচংয়ে মসজিদের হিসাব নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৩; এলাকায় উত্তেজনা

এ.কে ফয়জুল ইসলাম: হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বাগজুর গ্রামের হিয়ালতলা মসজিদের হিসাব সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

গত রাত আনুমানিক ১টার দিকে হারুন ও সালামের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তা উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে অন্তত ১০ থেকে ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কুতুব মিয়া ও সুরুজ আলিসহ চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট উসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আহতদের হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল এ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় মুরুব্বি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সালিশের মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

সাতছড়ি সীমান্তে ৬০ কেজি গাঁজা ও ৫ বোতল মদ জব্দ

সাতছড়ি সীমান্তে ৬০ কেজি গাঁজা ও ৫ বোতল মদ জব্দ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সাতছড়ি সীমান্তের দুর্গম বনাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ৬০ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও ৫ বোতল মদ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।


বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৬ মার্চ বিকাল ৫টার দিকে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) এর সাতছড়ি বিওপির একটি টহল দল সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাহাড়ি সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সীমান্ত থেকে প্রায় ২০০ গজ ভেতরে সাতছড়ি এলাকার ‘লেবু বাগান’ নামক স্থানে কয়েকজন পাচারকারীকে ভারত থেকে বস্তায় করে মালামাল নিয়ে আসতে দেখা যায়।


টহল দল তাদের ধাওয়া করলে পাচারকারীরা বস্তাগুলো ফেলে দ্রুত বনের ভেতর পালিয়ে যায়। পরে ফেলে যাওয়া বস্তা তল্লাশি করে মালিকবিহীন অবস্থায় ৬০ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও ৫ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব মাদকের আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় সোয়া দুই লাখ টাকা।


বিজিবি জানায়, চলতি মাসে বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত ১২৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা এবং ৯৮ বোতল ভারতীয় মদ আটক করা হয়েছে।


জব্দকৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নবীগঞ্জে বৃদ্ধার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যার আশঙ্কা

নবীগঞ্জে বৃদ্ধার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যার আশঙ্কা

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা-এ নিজ বসতঘর থেকে ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৬৩) নামে এক নারীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি সোমবার (১৬ মার্চ) উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামে ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহতের ঘরের ভেতরে হাত ও পা রশি দিয়ে বাঁধা এবং মুখে কস্টিপ পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্বজনরা চিৎকার শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নবীগঞ্জ থানার ওসি মোনায়েম মিয়া জানান, ঘটনাটির প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তবে চুরির উদ্দেশ্যে কিংবা পূর্ব শত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

হবিগঞ্জে বুচিনালা খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন কর‌লেন হুইপ জি‌কে গউছ

হবিগঞ্জে বুচিনালা খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন কর‌লেন হুইপ জি‌কে গউছ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার বুচিনালা খাল পুনঃখনন কার্যক্রম আজ বেলা ১১টায় উদ্বোধন করা হয়েছে।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব মোঃ জি কে গউছ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. ফয়সল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিন।

হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) যৌথভাবে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, বুচিনালা খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি হবে এবং কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং এলাকার কৃষকদের উপকার হবে। এছাড়াও খাল পুনঃখননের ফলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যাও অনেকটা কমে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
শহরে কিশোর গ্যাংয়ের আরেক সদস্য গ্রেফতার

শহরে কিশোর গ্যাংয়ের আরেক সদস্য গ্রেফতার

শহরে আরও এক কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এখনও এ চক্রের মূলহোতা বহুলা মোকামবাড়ির বাসিন্দা নুর বানুর ছেলে সাইমুন ও পারভিন আক্তারে ছেলে সাব্বির রয়ে গেছে অধরা। শনিবার সকালে সদর থানার এসআই মুখলেছুর রহমান সাড়াশি অভিযান চালিয়ে বহুলা ২নং পুল এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সহিদের পুত্র মাহিমকে গ্রেফতার করে। শনিবার বিকালেই তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। পুলিশ জানায়, গত ২৮ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে সাইমুন, সাব্বির, আবু বকর, রাহিমের নেতৃত্বে রাজনগরে অস্ত্র নিয়ে আতংক সৃষ্টি করে। এতে অনেকেই তারাবি নামাজ পড়তে পারেননি। তারা পুলিশে খবর দিলে এসআই হাসান আলী বাদি হয়ে ৩০ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দেন এবং ৪ জনকে আটক করেন। বর্তমানে তারা কারাগারে আছে। পুলিশ জানায়, অভিযান নিয়মিত চলবে।

সদর হাসপাতালে দালালদের উপদ্রব ॥ তালিকা পুলিশের হাতে

সদর হাসপাতালে দালালদের উপদ্রব ॥ তালিকা পুলিশের হাতে

হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে বহিরাগত দালালদের উপৎপাত আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ২২ জন দালাল প্রতিনিয়ত হাসপাতালে অবস্থান করে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এতে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জানা যায়, জেলার প্রায় ২০ লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসার শেষ আশ্রয়স্থল হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল। কিন্তু চিকিৎসা নিতে এসে গ্রামাঞ্চল থেকে আসা অনেক সাধারণ রোগী দালালদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছেন। দালালদের সিন্ডিকেট এতটাই শক্তিশালী যে তাদের মাধ্যমে না গেলে অনেক সময় বাইরে থেকে ওষুধপত্র কেনাও সম্ভব হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দালালদের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। প্রতিদিনই বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা সহজ-সরল মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেক রোগীকে শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাসপাতালের ডোম মিজান জানান, দালালরা রোগীদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এসব ক্লিনিকের সঙ্গে তাদের যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে একাধিকবার সিদ্ধান্ত নিলেও বাস্তবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতালের কিছু অসাধু কর্মচারীর যোগসাজশে দালালি কার্যক্রম চলছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অবশেষে দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ হিসেবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে। তবে সাধারণ মানুষের দাবি, দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এ সমস্যার সমাধান হবে না।

সদর থানা পুলিশের অভিযানে ৬ পলাতক আসামি গ্রেফতার

সদর থানা পুলিশের অভিযানে ৬ পলাতক আসামি গ্রেফতার

সদর থানা পুলিশের অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার ৬ পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। সদর থানার ওসি (তদন্ত) সফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ ওয়ারেন্টের আসামিদের গ্রেফতারে মাঠে নেমেছে। এ অভিযান নিয়মিত চলবে। রবিবার তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।