Previous
Next

সর্বশেষ

 মাধবপুরে ৮ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

মাধবপুরে ৮ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৮ কেজি গাঁজা ও একটি মোটরসাইকেলসহ খোকন মিয়া ওরফে সাগর (৩০) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার কাশিমনগর বাজারের রেলগেট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার খোকন মিয়া উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, খোকন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সড়কের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ॥ দুর্ভোগে আজমিরীগঞ্জের পথচারী-যান চালকরা

সড়কের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ॥ দুর্ভোগে আজমিরীগঞ্জের পথচারী-যান চালকরা

আমিনুল ইসলাম আপন : আজমিরীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের কাছে শরিফ উদ্দিন সড়কের পাশে একটি বড় গাছ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকায় প্রতিদিন চলাচলকারী যানবাহন ও পথচারীদের জন্য মারাত্মক ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গাছটি রাস্তার দিকে হেলে পড়েছে এবং যেকোনো সময় ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে রাতের বেলা ও খারাপ আবহাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং এলাকাবাসীকে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এস এম রেজাউল করিম মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত গাছটি অপসারণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশা, দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রেজাউল করিম জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পইল গ্রামে ১৪৪ ধারা অমান্য করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা ॥ পুলিশের বাঁধা

পইল গ্রামে ১৪৪ ধারা অমান্য করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা ॥ পুলিশের বাঁধা

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল মাইজহাটি (সাহেববাড়িতে) আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণ করে জমি ও ফিসারী দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোনো সময় সংঘর্ষের আশংকা করা হচ্ছে। জানা যায়, সদর উপজেলার পৈল মৌজার জে.এল.এস.এ ৩২, এসএ ৫৪১ নং খতিয়ানের ৪২৪৫ দাগে ০২৭৫ একর বাড়ি ও ৫৪১ নং খতিয়ানের ৪৪৭৯ দাগে ৪ কেদার লায়েক ফিসারীর প্রকৃত মালিক মৃত সৈয়দ ওবায়দুল হকের ওয়ারিশান মৃত সৈয়দ আব্দুল হাই, সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদ, সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ ও সৈয়দ আব্দুল কদ্দুছ। 

সৈয়দ ওবায়দুল হকের পুত্র মৃত সৈয়দ আব্দুল হাই ৭১ সালের যুদ্ধে এবং ২০০৪ সালে  সৈয়দ আব্দুল কদ্দুছ মৃত্যুবরণ করেন। ৪ ভাইয়ের মধ্যে ২ ভাই মারা যাওয়ার পর সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদ নিজের অংশে বেশি জমি রেখে নিজের মনগড়ামতো মৌখিকভাবে অন্য ভাইদের মধ্যে সম্পত্তি বন্টন করেন। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ দেখা দেয় এবং যা নিয়ে ২০১৭ সালে মৃত সৈয়দ আব্দুল কদ্দুছের ওয়ারিশানগণ হবিগঞ্জ জেলা যুগ্ম জজ-১ আদালতে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন। এক পর্যায়ে ১৪৪ ধারা জারির আবেদন করেন। এছাড়াও পারিবারিকভাবেও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আব্দুল হাই যার কোনো ছেলে সন্তান নেই, তার কন্যা গত রমজানে বারবার বাঁধা দিলেও তারা কর্ণপাত করেনি।

বন্টন মামলা চলাকালীন ও ১৪৪ ধারার মাঝেও সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদের ওয়ারিশানগণ তা না মেনে উল্লেখিত জমি জোরেবলে দখলের পায়তারা করে চলেছেন। এদিকে গতকাল ১৭ এপ্রিল সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদের ওয়ারিশানগণ উক্ত ভূমি দখলে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করে। এ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে এসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম খোকন ঘটনাস্থলে গিয়ে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে সদর থানার এসআই আমিনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। একটি পক্ষের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে পরিদর্শনে যাই এবং যারা স্থাপনা নির্মাণের প্রক্রিয়া করেন তাদেরকে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে আসি। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং উভয়পক্ষকে শান্তিশৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছি।

চুনারুঘাটে তরুণী অপহরণ চেষ্টা সিএনজি চালকসহ গ্রেফতার ২

চুনারুঘাটে তরুণী অপহরণ চেষ্টা সিএনজি চালকসহ গ্রেফতার ২

চুনারুঘাট উপজেলায় এক তরুণীকে অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। এ ঘটনায় সিএনজি চালকসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে, তবে মূল অভিযুক্ত এখনও পলাতক রয়েছে। জানা যায়, চুনারুঘাট উপজেলার আমরুট সুন্দরপুর গ্রামের জালাল মিয়ার মেয়ে তিসা আক্তারকে দীর্ঘদিন ধরে অনুসরণ করে আসছিল একটি বখাটে চক্র। ভুক্তভোগীর জবানবন্দীতে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা পূর্ব থেকেই নারী সংক্রান্ত নানা কেলেঙ্কারি ও অপহরণের সঙ্গে জড়িত। ঘটনার দিন বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের খিলবামৈ এলাকায় সিএনজিযোগে তরুণীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে সিএনজি চালকসহ দুইজনকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন, রায়হান মিয়া (২৫), পিতা আনোয়ার আলী, গ্রাম চারগাঁও এবং রাসেল মিয়া (২৮), পিতা করম আলী, একই গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণচক্রের আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পলাতক মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে আজমিরীগঞ্জের হাওরে পানি বৃদ্ধি, ডুবছে পাকা ধান

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে আজমিরীগঞ্জের হাওরে পানি বৃদ্ধি, ডুবছে পাকা ধান

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি: টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাওর এলাকায় পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে পাকা ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন কৃষকরা।

বিশেষ করে উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের একাধিক হাওর ইতোমধ্যে পানির নিচে চলে গেছে। এতে প্রায় ৮০ হেক্টর জমির পাকা ধান ক্ষতির মুখে পড়েছে। অনেক কৃষক পানিতে নেমে ধান কাটার চেষ্টা চালালেও শ্রমিক সংকট ও ধান কাটার যন্ত্রের অভাবে কার্যত তারা অসহায় হয়ে পড়েছেন।

একজন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বলেন, “প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয় করে এ বছর ধান চাষ করেছি। কিন্তু টানা বৃষ্টি আর হঠাৎ বন্যার কারণে ধান কাটার সুযোগ পাচ্ছি না। আল্লাহর রহমত ছাড়া আর কোনো ভরসা নেই। না শ্রমিক পাচ্ছি, না মেশিন।”

ধান কাটার শ্রমিক (দাওয়ালি) মো. আমির উদ্দিন বলেন, “এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আমাদেরও না খেয়ে থাকতে হবে। ধান কাটতে না পারলে আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যাবে।”

এদিকে, স্থানীয় সড়কগুলো কর্দমাক্ত হয়ে পড়ায় এবং অনেক জায়গা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে কাটা ধান ঘরে তোলাও হয়ে উঠছে কঠিন।

স্থানীয় সিনিয়র সাংবাদিক শরীফ উদ্দিন পেশোয়ার জানান, সরেজমিন পরিদর্শনে তিনি দেখেছেন প্রায় ৮০ হেক্টর জমির ধান ইতোমধ্যে পানির নিচে চলে গেছে। তিনি বলেন, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না নিলে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি এলাকায় খাদ্য সংকটও দেখা দিতে পারে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বিলাল মিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের দাবি জানানো হয়েছে। এলাকাবাসীর আশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হবে।
 মাধবপুরে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর, এলাকায় উত্তেজনা

মাধবপুরে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর, এলাকায় উত্তেজনা

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার উত্তর শাহপুর এলাকায় একটি মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মন্দিরে প্রবেশ করে পূজিত প্রতিমাগুলো ভেঙে ফেলে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে ১৭ এপ্রিল সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাশেম এবং মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, চুরির উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা মন্দিরে ঢুকে ব্যর্থ হয়ে এ ভাঙচুর চালিয়ে থাকতে পারে।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মী রাকেশ রায়। তিনি দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

স্থানীয়রা জানান, ধর্মীয় উপাসনালয়ে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সামাজিক সম্প্রীতির জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা দ্রুত ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত রয়েছে। এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে পূর্ণ মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

আজ শুক্রবার চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে পূর্ণ মজুত রয়েছে। বর্তমানে জুন মাসের চাহিদা মাথায় রেখে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জ্বালানি চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে।

পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহও বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিকল্প উৎসে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।’

এদিকে জ্বালানির বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি ও শিল্প খাতকে প্রাধান্য দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম। 

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৫ এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে অকটেন এবং পেট্রোলের যে মজুত আছে তাতে আগামী দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না। দেশে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫ টন, অকটেন রয়েছে ৩১ হাজার ৮২১ টন। পেট্রোল রয়েছে ১৮ হাজার ২১ টন ও ফার্নেস ওয়েল রয়েছে ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন।

প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু হলেই তেল নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মার্চের শুরুতে পেট্রোল ও অকটেনের বিক্রি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। এরপর মজুত ধরে রাখতে সরকার রেশনিং শুরু করে। কয়েক দিন পর রেশনিং তুলে নিলেও বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে গত বছরের বিক্রির সঙ্গে মিল রেখে।